ভোলার শশীভূষণে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান শাহীন
প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার ১১ নং রসুলপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন, দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনসেবা ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ১১ নং রসুলপুর ইউনিয়নে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন। শশীভূষণ অঞ্চলে স্থানীয় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে ভূমিকা রাখা এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের রয়েছে দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক পথচলা।
রাজনৈতিক জীবনে তাঁকে বিভিন্ন মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও রাজনৈতিক আদর্শ, ধৈর্য ও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে তাঁর পথচলা অব্যাহত রয়েছে। আগামী নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত কাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। তবে মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তাঁর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক ভূমিকা ও এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বিবেচনা করে দল তাঁকে মনোনয়ন দেবে। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চান মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ১১ নংরসুলপুর ইউনিয়নকে একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তাঁর পরিকল্পনা ও অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে— ১. দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। ২. সালিশ-বাণিজ্য বন্ধ করে নিরপেক্ষ ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা। ৩. সাধারণ মানুষকে হয়রানি, জুলুম, অন্যায় ও প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য থেকে রক্ষায় ভূমিকা রাখা। ৪. ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করা। ৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা। ৬. মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করা। ৭. দরিদ্র, অসহায়, বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
৮. স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি চিকিৎসাসহায়তা সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া। ৯. যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। ১০. ইউনিয়নের খাল, জলাশয় ও সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে উদ্যোগ নেওয়া। ১১. জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ ইউনিয়ন পরিষদের সেবায় হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধে কাজ করা। ১২. গ্রাম্য বিরোধ ও পারিবারিক সমস্যায় নিরপেক্ষভাবে ন্যায়সংগত সমাধানে সহযোগিতা করা। ১৩. নারী, শিশু ও অসহায় মানুষের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকা। ১৪. দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার ও সেবার পরিবেশ নিশ্চিত করা।
মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়নের স্বপ্ন একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন মনে করেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা, মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং এলাকার সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান।
তবে দলীয় মনোনয়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী নির্বাচনে বিএনপি কাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় এবং ১১ নম্বর রসুলপুর ইউনিয়নের মানুষ তাঁদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে কাকে বেছে নেন।* মোঃ কামরুজ্জামান শাহীনের প্রত্যাশা—জনগণের ভালোবাসা, দলের সমর্থন এবং সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত রসুলপুর ইউনিয়ন গড়ে তোলা।
