ইতালিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৮ জনের মৃত্যু।

0

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ইতালিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরও মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৩৬৮ জন মারা গেছে। যা একদিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ মারা যাওয়ার রেকর্ড। নতুন আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৯০ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৮০৯ জন এবং আক্রান্ত ২৪ হাজার ৭৪৭ জন। চিকিৎসাধীন আছে ২০ হাজার ৬০৩ জন।

ইতালিতে বর্তমানে ২০ হাজার ৬০৩ জন আক্রান্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ হাজার ৯৩১ জনের অবস্থা স্থিতিশীল অথবা উন্নতির দিকে এবং বাকি ১ হাজার ৬৭২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৩৩৫ জন। আক্রান্তের সংখ্যা অনুপাতে মৃত্যুর হার ৪৪ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৬ শতাংশ।

ইউরোপের দেশটিতে দিনদিন অবস্থার অবনতি হচ্ছে। এ দিকে করোনা ভাইরাসের কারণে ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি করে পুরো দেশকে লকডাউন করা হয়েছে। ফার্মেসি এবং খাবার দোকান ছাড়া সবকিছু বন্ধ রয়েছে। ফলে গোটা ইতালি থমকে আছে। অর্থনৈতিক অবস্থা অবনতির দিকে। নতুন করে কোনো পর্যটক ইতালিতে প্রবেশ করতে পারছে না। বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। জরুরি অবস্থায় যানবাহনও আগের মত চলাচল করছে না। বেড়েছে যাত্রী দুর্ভোগ। সরকার নির্দেশনা দিয়েছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে কেউ যেন না যায়। ইতালির প্রধনামন্ত্রী জিউসেপ কন্তে করোনার মহামারি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছেন।

করোনা ভাইরাসে রোমের ক্লোসিয়াম, ফোনতানা ত্রেভি, ভেনেসিয়াসহ দর্শনীয় স্থানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইতালির মানুষজন এখন কার্যত বন্দি জীবনযাপন করছে। সুপার মার্কেটগুলোতে একসঙ্গে সবাইকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলছে সরকার ঘোষিত প্রতিষ্ঠান। কিছু কিছু সুপার মার্কেট ও ক্লিনিকে মাস্ক ছাড়া প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

অন্যদিকে, ইতালিজুড়ে মাস্কের প্রচণ্ড অভাব দেখা দিয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, আগামী সপ্তাহে আসতে পারে নতুন মাস্ক। তবে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি কেউ। করোনার ভয়াবহতায় গোটা ইতালিই এখন ফাঁকা। সরকার নতুন ডিক্রি জারি করে সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। সরকারের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা নেই। বিভিন্ন স্থানে প্রশাসন রাস্তা নিয়ন্ত্রণ করছে। যানবাহন এবং চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণ আনতে নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here