প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ বাংলাদেশে ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময় একটি পক্ষ দেশের শান্তি নষ্ট করার জন্য নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে যা খুবই দুঃখ জনক। রাজনৈতিক মত পার্থক্য থাকবে। কিন্তু বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকারের যে শিষ্টারচার দেখেছি, দেশবাসী কিন্তু তাদের বিতারিত করেছে। সেই শিষ্টাচার এখন শিল্পে পরিনত হয়েছে। সোমবার (৩ আগষ্ট) ৫ টায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কাউছার আশা এসব কথা বলেন।
প্রায়ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সহ দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদদের নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ কটুক্তির প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বিকেল ৩ টায় নগরীর খানপুর হাসপাতালের সামনে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হতে শুরু করে। পরে মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কাউছার আশার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে মন্ডলপাড়া এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে শেষ হয়।
এসময় মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবুল কাউছার আশা আরও বলেন, জামাত শিবিরের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে ইচ্ছে করে কিন্তু অনেক বছর কোর্টের বারান্দায় একসাথে কাটিয়েছি। পিজন ভ্যানে এক সাথে উঠেছি, কারাগারে এক সাথে বসে ভবিষ্যত্ব পরিকল্পনা করেছি। তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাঁজদের তালিকা করলে নাকি বিএনপির গাত্রদাহ হয় আর আমরা বলবো ধর্ষণ ও সমকামিতার খবর নিলে আপনাদের গাত্রদাহ হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য আওলাদ হোসেন, আমিনুর ইসলাম মিঠু, বরকত উল্লাহ বুলু, মহানগর বিএনপি নেতা সোলেইমান হোসেন, সুজন মাহমুদ, পনির হোসেন, সাফী আহম্মেদ, মোহাম্মদ হোসেন কাজল, সফিউদ্দিন সোহেল, আনোয়ার মাহমুদ বকুল, তাহের আলী, বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রানা, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহম্মেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জিএস জনি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন, আরাফাত চৌধুরী, কলিম উদ্দিন রানা, মোশারফ হোসেন, মহানগর ছাত্র দলের নেতা রবিন সরকার পায়েল, আকাশ আহম্মেদ বাশির সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।





