প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ৩৬নং সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ জুন রবিবার মতলব উত্তর উপজেলার ৩৬নং সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীদের সুপ্ত মনের মেধা বিকাশে আধুনিক ও মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শরীর গঠন ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে সহায়তা করবে এই লক্ষ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মনজুর আমিন স্বপন, চাঁদপুর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু। এতে সভাপতিত্ব করেন সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক সাদুল্যাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ হাশেম প্রধান।
অনুুষ্ঠান পরিচালণায় ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম সুমন ও ৩৬নং সাদুল্লাপুর সরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক হোসেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজ¦ী মোঃ আবুল হোসেন প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ সেবক এনএম তাজল ইসলাম, সাদুল্যাপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ কবির হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোঃ আশেক আলী বকাউল,মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহবুবুল আলম হেলালসহ বিদয়ালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এর আগে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলমগীর সরকার বলেন, একটি বিল্ডিংয়ের যেমন ফাউন্ডেশন অনুযায়ী নির্ধারণ হয় এটি কত তলা বিশিষ্ট হবে। তেমনি একটি মানুষের জীবনে কি হবে সেটাও নির্ধারিত হয় প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে। তাই প্রাথমিক শিক্ষা হতে হবে খুবই মজবুত। তাহলে ভবিষ্যত উজ্জল এবং দেশ ও জনগণের উপকারে আসবে। আর যদি কোন শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ে যায় তাহলে সে হবে জাতির জন্য বোঝা। তাই একটি শিক্ষার্থীও যাতে ঝড়ে না পড়ে সেদিকে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
বিশেষ করে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর জাতীয় সঙ্গীত এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা হয়। প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে দৌড়,বিস্কুট দৌড়,হারি ভাঙ্গা, বালিশ খেলা,অঙ্ক দৌড়, যেমন খুশি তেমন সাজো, আবৃত্তি,নৃত্য,গানসহ গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিথি ও অভিভাবকরাও অংশ গ্রহণ করেন।





