মহেশপুরে উদ্বোধনের আড়াই বছরেও চালু হয়নি ২০ শয্যা হাসপাতালটি

0
মহেশপুরে উদ্বোধনের আড়াই বছরেও চালু হয়নি ২০ শয্যা হাসপাতালটি

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ জিয়াউর রহমান জিয়া মহেশপুর (ঝিনাইদহ) থেকেঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ৈবা সাকোর খাল এলাকায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে সীমান্ত বর্তী ৫টি ইউনিয়নের দেড়লাখ মানুষের সেবার জন্য নির্মিত করা হয় হাসপাতালটি। কিন্তু হাসপাতালটি উদ্বোধনও করেছিলেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হলেও হাসপাতালটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি।

ফলে মহেশপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৬০ টি গ্রামের মানুষ জরুরী স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি সীমান্ত বর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মাণ করা হলেও এখনো তার কার্যক্রম শুরু হয়নি ডাক্তারের অভাবের কারনে। চালু না হওয়ায় হাসপাতালের ভবনটির বিভিন্ন স্থানে প্লাষ্টার খসে পড়েছে। পাহারাদার না থাকায় হাসপাতালের মালামালও চুরি হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বাশার আলী জানান, ভেবেছিলাম হাসপাতাল চালু হলে আর দূরে যেতে হবে নাকিন্তু এখনও অসুস্থ হলে উপজেলায় যেতে হয়। বাগান মাঠ গ্রামের বাসিন্দা মুকুল হোসেন বলেন, ২০ কোটি টাকা দিয়ে হাসপাতাল করলো মন্ত্রী এসে চালু করলো। কিন্তু আজ পর্যন্ত দেখলাম না কোন ডাক্তার আসতে। যদি চালুই না হয় তাহলে হাসপাতাল করে লাভ কি।

আমরা চাই হাসপাতালটি তাড়াতাড়ি চালু করা হোক।বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু জানান, হাসপাতালটি চালু হলে গ্রাম এলাকার অসহায় মানুষ গুলো খুব সহজেই স্বাস্থ্য সেবা নিতে পারতো। সীমান্ত বর্তী এলাকা গুলোর অসহায় মানুষেরা বরাবরই স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এই হাসপাতালটি চালু হলে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত মানুষ গুলো খুব সহজেই স্বাস্থ্য সেবা নিতে পারতো। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পানা কর্মকর্তা ডাঃ হেলেনা আক্তার নিপা জানান,উপজেলা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ৈবা সাকোর খাল এলাকায় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা.মোঃ কামরুজ্জামান জানান, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োাজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে সীমান্ত এলাকার ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here