প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে বাথরুমে নিয়ে অচেতন করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পরে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের অষ্টম তলার সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী শিশু দেবআদৃতা দাসের নানা ওই ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন।অভিযোগ অনুযায়ী, লিটন মিয়া নামে এক ব্যক্তি শিশুটিকে চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অষ্টম তলার বাথরুমে নিয়ে যান। বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির মা জবারানী দাস হাসপাতালের তৃতীয় তলায় গিয়ে অভিযোগ করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পর পিসি মো. গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এপিসি মো. উজ্জল হোসেন এবং আনসার সদস্য মো. সুজন মিয়া ও মো. শাকিল হকসহ একটি টহল দল শিশুটির সন্ধানে অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশির পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অষ্টম তলার একটি টয়লেট থেকে লিটন মিয়ার কাছ থেকে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুটি কোনো কথা বলতে পারছিল না।
এ সময় লিটন মিয়ার কাছ থেকে কিছু পরিমাণ গাঁজা ও দুটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে বলেও জানা যায়। আটক লিটন মিয়া গাজীপুর সদর উপজেলার জয়দেবপুরের হোতাপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।





