হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে মতলব উত্তরের ১৪ ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমীকরণ বদলে যাবে

0
হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে মতলব উত্তরের ১৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের কপাল পুড়বে!

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃনিজস্ব সংবাদদাতা: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি হাইকোর্টের জারি করা এক রুলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (পাস) নির্ধারণের প্রস্তাব আসায় সম্ভাব্য অনেক চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে অনেকের কপালেই পড়েছে চিন্তার ভাঁজ।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মতলব উত্তরে বিভিন্ন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষ্যে একাধিক বিএনপি নেতা মাঠে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তারা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, গণসংযোগ এবং বিভিন্ন পর্যায়ে লবিং শুরু করেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছেন, যাদের স্থানীয় সরকার পরিচালনা কিংবা প্রশাসনিক বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আবার অনেকেই ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী নন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে যোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধির রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার সম্পর্কে জ্ঞান, প্রশাসনিক দক্ষতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি বাস্তবায়িত হলে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

এদিকে, বুধবার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণের নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২২ জুলাই) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান

হাইকোর্টের রুল জারির পর মতলব উত্তরের রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের অনেকে এখন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং পরবর্তী আইনি ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। রুলটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীর সমীকরণ বদলে যেতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here