প্রেসনিউজ২৪ডটকম: “জ্বরের পর ছেলের গায়ে র্যাশ উঠলে প্রথমে ডাক্তাররা কইলো অ্যালার্জি। প্রথম গেছিলাম সদর হাসপাতালে, পরে ঢাকায় আনলাম। আজকে দশটা দিন ওরে নিয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে দৌড়াইতেছি”।ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া ছেলের পাশে বসে বিবিসি বাংলাকে কথাগুলো বলছিলেন ভোলার তামান্না আক্তার।
গত মাসের শেষের দিকে গ্রামের বাড়ি ভোলায় থাকা অবস্থায় হামে আক্রান্ত হয় তার সাড়ে এগারো মাস বয়সী ছেলে। উপসর্গ নিয়ে প্রথমে ভর্তি করা হয়েছিল ভোলার সদর হাসপাতালে। সেখানে শিশুটির পরিস্থিতি খারাপ হলে নিয়ে আসনে ঢাকার শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে। বুধবার শিশু হাসপাতালের বিশেষায়িত হাম ইউনিটে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে হাম আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছে অনেক শিশু।
আবার অনেকেই আক্রান্ত অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির জন্য আনলেও ওয়ার্ডে সিট না থাকায় ফেরত যেতে হচ্ছে। সেখানে বিশেষায়িত ওয়ার্ডে একদিকে সিটের সংখ্যা যেমন কম, অন্যদিকে আইসিইউতেও সিট সংখ্যা কম। যে কারণে, শুধু যাদের লাইফ সাপোর্ট প্রয়োজন তাদেরকেই আইসিইউতে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলছেন, গত মাসের মাঝামাঝি থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। এই রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালটির। গত দুই সপ্তাহে এই হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে অন্তত ছয়জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা।





