মহেশপুরে-ভাঙ্গা ব্রীজে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাজ

0
মহেশপুরে-ভাঙ্গা ব্রীজে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাজ

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ জিয়াউর রহমান জিয়া,মহেশপুর (ঝিনাইদহ) থেকে ঃ  জীবননগ-চুয়াডাঙ্গা থেকে যশোর গামী পন্য বোঝাই যানবাহন চলাচলের পাইপাস সড়ক হিসাবে পরিচিত মহেশপুর পৌর এলাকার পাতিবিলা গ্রামের সড়ক। প্রতিদিন শত শত ভারী যানবাহনসহ  পথচারীরা চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে।

ভারী যানবাহন চলাচলের কারনে পাতিবিলা খালের উপর নির্মিত ব্রীজটি ভেঙ্গে নিচে পরে যায়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচলসহ স্থানীয়দের চলাচলের রাস্তা। এতে দূর্ভোগ পোহাতে হয় পাতিবিলা গ্রাম বাসিকে। চড়কতলা মোড়ের সাপ্তাহিক হাটে আসা যাওয়া করতে হয় ১কিঃ মিঃ রাস্তা ঘুড়ে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গা ব্রীজ মেরামতের চেষ্টায় বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোন লাভ না হওয়ায় অবশেষে ভাঙ্গা ব্রীজের স্থানে মাটি >াকরে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এতে খালের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।

দীর্ঘদিন এভাবে চললেও কর্তীপক্ষের উদাসি মনমানসিকতায় পাতিবিলা,বগা,গাড়াবাড়িয়া গ্রামের কৃষকদের কপালে ফেলেছে চিন্তা ভাজ। যতই এগিয়ে আসছে বর্ষার দিন ততই চিন্তা বেড়ে যাচ্ছে কৃষকদের। ভাঙ্গা ব্রীজটি দ্রত সংস্কার করা না হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি তলিয়ে যাবে বলে জানান কৃষকরা। স্থানীয়া জানান, দ্রত যদি ব্রীজটি নতুন ভাবে তৈরি/সংস্কার করা না হয় তাহলে এই এলাকার প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাবে।

কারন পানি নিস্কাশনের এক মাত্র যায়গা হচ্ছে খাল ,বর্ষা মৌসুমে খাল দিয়ে এই এলাকার সব পানি কপোতাক্ষ নদীতে নামে। ব্রীজ ভেঙ্গে নিচে পরে যাওয়ায় খালের মুখও বন্ধ হয়ে গেছে।কৃষক আরশেদ আলী জানান, চেচোগাড়ি ও গোবড়ার বিলের যত পানি খাল দিয়ে নামে। ব্রীজ ভেঙ্গে খালের মুখ বন্ধ থাকায় আমরা চিন্তায় আছি । বর্ষার আগে ব্রীজটি তৈরি না হলে হয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে,না হয় জলাবদ্ধতায় ফসলি জমি পানির নিচে থাকবে।

স্থানীয় কৃষক হজোমোল্লা বলেন, চাষী জমি গুলো বিল এলাকায় হওয়ায় আমাদের যতচিন্তা। উচু স্থানের সবপানি বিল দিয়ে নামে আর এই বিলের জমিতে আমাদের চাষা আবাদ। খাল দিয়ে যদি পানি বের হতে না পারে তাহলে প্রায় ২ হাজার বিঘা জমির ফসল নষ্ঠ হবে আসছে বর্ষায়। সাবেক পৌর কাউন্সিলর শেখ হাসেম আলী পাঠান বলেন, খালের মুখ বন্ধ হয়ে থাকা ভাঙ্গা ব্রীজ টা আসলেই চিন্তার কারন,এই মাঠে আমাদেরও চাষ আছে।

বর্ষার আগে কোন ব্যবস্থা করা না হলে হয় যানবাহন চলচলা কারীরা দূর্ভোগে পড়বে,না হয় ফসলি জমি জলাবদ্ধতায় থাকবে। তিনি আরও বলেন আমিও বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেছি যাতে বর্ষার আগেই ব্রীজটার কোন ব্যবস্থা করা যায় কিন্তু এর সম্ভাবনা দেখছি না।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শাহরিয়ার আকাশ বলেন, এটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তা আমরা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারি না। ব্রীজটা এমন ভাবে ভেঙ্গেছে যা নতুন ভাবে তৈরি করা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নাই। ব্রীজ নির্মানের প্রাথমিক তথ্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন,বিষয়টি যেহেতু আমাকে অবগত করলেন সরজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here