প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ সকল জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হচ্ছে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম। সরকারের এক বিশ্বস্ত সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নাম ঘোষণা করা হবে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ।
চাঁদপুর জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম সলিম উল্যাহ সেলিম। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক এবং সভাপতি, চাঁদপুর শহর বিএনপি’র দুইবারের সাবেক সেক্রেটারি, চাঁদপুর পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, চাঁদপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মুক্তি সৌধ নির্মাণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন কমিটির বারো বছর মহাসচিব এবং তিনবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৭ সালে তিনি চাঁদপুরে ‘বলাকা’ নামক প্রথম পত্রিকা প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি অসংখ্য সংগঠনের সাথে জড়িত। চাঁদপুরবাসী তাকে একজন দক্ষ সংগঠক এবং আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথের লড়াকু ত্যাগী ও বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর রাজনৈতিক নেতা হিসেবে চিনেন এবং জানেন। সকল মহলের কাছে রয়েছে তার পরিচিতি এবং গ্রহণ যোগ্যতা। অ্যাড.সেলিম দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। সেই সঙ্গে বিগত দিনের দলটির আন্দোলন-সংগ্রামেও তিনি ছিলেন সামনের সারিতে।
বিগত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক একাধিক মামলার আসামিও ছিলেন তিনি। অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার পাঁচটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন। সেই সঙ্গে চাঁদপুর -৩ সদর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে দলের প্রার্থীদের নিরঙ্কুশ বিজয় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের সার্থকতা হিসেবে দেখছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল।
কর্মময় বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সমাজে সর্বস্তরের মানুষের সাথে উঠাবসা ছিল তাঁর। কিন্তু কখনো কোথাও কোন কিছু হতে চাননি।দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং ক্লিন ইমেজের কারণে তিনি এবার জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন দলটির একাধিক নেতা। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দুঃশ্বাসনের সময় নিতিন অসংখ্য মামলা ও নির্যাতন নিপিড়নের শিকার হলেও দলের দলের কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে এতটুও পিচপা হননি।





