প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা বিল’ পাস-এর মাধ্যমে জুলাইতে সারাদেশে হাজার হাজার পুলিশ সদস্যার ঘাতকদেরকেই নয়; চাচা-ভাতিজার সংসদে দেশবিরোধীদের দায় মুক্তি দেয়া হচ্ছে। ইতিহাস সবসময় সত্য ও সাহসের পথে চলে আর তার প্রমাণ অতিতে যেমন পেয়েছি, আগামীতেও আমরা পাবো বাংলাদেশের মানুষের সাথে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নামে প্রতারণা করা কিছু ছাত্র নামধারীর বিচারের মাধ্যমে।
৮ এপ্রিল প্রেরিত বিবৃতিতে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত ও যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা আরো বলেন, এই বিল পাস-এর মাধ্যমে দেশ-সরকারের বিরুদ্ধে দেশ বিরোধী-ষড়যন্ত্রকারীদেরকে যে কোনো সময় সহিংস উঠতে প্রেরণা যোগানো হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের স্বঘোষিত ঘাতক, লুন্ঠনকারী, দখলবাজ-মববাজদেরকে দায়মুক্তি দেয়ার এই কলঙ্কময় দিনকে জাতি স্মরণিয় করে রাখবে।
সাধারণ মানুষ ভেবেছিলো ম্বাধীনতার ঘোষকের সন্তান স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধী- দেশবিরোধী ও তাদের সমর্থকদেরকে শাস্তির আওতায় আনবে, বাংলাদেশের রাজপথে তারা যেন থাকতে পারে, সেই লক্ষ্যে তাদের রাজনৈতিক জোট ও দলগুলোকে নিষিদ্ধ করবে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো। কেবলমাত্র ক্ষমতার জন্য বিএনপি সরকার আজ জাতীয় শত্রু জামায়াত-এনসিপিসহ কিছু ছাত্রনামধারী ষড়যন্ত্রকারীকে দায় মুক্তি দিয়ে প্রমাণ করলো বিএনপির মুখে ‘স্বাধীনতা’ হলেও অন্তরে স্বাধীনতা বিরোধীতা আর যুদ্ধাপরাধীদের সাথে গভীর সম্পর্ক।
আমরা ঘৃণা ভরে এই বিলকে প্রত্যাখান করছি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানাচ্ছি- একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আপনার দলীয় সংসদ সদস্যদেরকে সাথে নিয়ে এই বিলকে ‘না’ বলুন; কেননা, জুলার ভেতরেই লকিয়ে ছিলো স্বাধীনতা বিরোধীদের সমর্থকগোষ্ঠি। যারা আপনার বিরুদ্ধেও খুব নিকট ভবিষ্যতে ষড়যন্ত্র করবে বলে ধারণা করছি। বিবিৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সংসদের বৈধতা নিয়ে এনসিপির নেতারা বলছে- ‘ইউনূস সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।
’ যদি তাই-ই হয়, তাহলে তো এনসিপি-জামায়াত-বিএনপি সবারই সংসদ সদস্য পদ অবৈধ। তার উপর আবার এনসিপিকে নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল জামায়াত জোটও করেছে। যারা বাংলাদেশ চায়নি, তারা এখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার জন্য নির্মমতায় মেতে উঠছে একের পর এক। তারা সেই লক্ষ্যে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোর মধ্য থেকে ৭৪ জন সংসদে যাওয়ারও ব্যবস্থা করেছে।
শুধু কি এখানেই শেষ, সংসদে গিয়ে তারা বলছে- ‘জুলাই যেখানে সেখানে মুক্তিযুদ্ধেও ইতিহাস প্রয়োজন নেই। এমতবস্থায় আমরা দেশ বিরোধী এই দলগুলোর নিবন্ধন যেমন বাতিল চাই, ঠিক তেমনি একাত্তরে ও চব্বিশে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাই। স্বাধীনতা বিরোধীতার অপরাধে দেশদ্রোহী জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিটির নিবন্ধন বাতিলের দাবি এখন ৯ কোটি সাধারণ ভোটারের, যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি বাংলাদেশে দেখতে চায় না।





