সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্ল্যাট বাসা-বাড়ীতে অবাধে চলছে “আসমার” রমরমা দেহ ব্যবসা

0
সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্ল্যাট বাসা-বাড়ীতে অবাধে চলছে আসমার” রমরমা  দেহ ব্যবসা

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃবারবার র্যাব পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও থেমে নেই সিদ্ধিরগঞ্জের আলাউদ্দিনের স্ত্রী আসমার দেহব্যবসা ফ্ল্যাট বাসা- বাড়ীতে পুলিশের নজরদারি না থাকায় অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠছে দেহব্যবসায়ী আসমা আর এসব ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করার অভিযোগ উঠেছে কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গের বিরূদ্ধে। স্থানীয় ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানাযায় ,দেহব্যবসায়ী আসমার ফ্ল্যাটে খদ্দের,কাষ্টমার বা গেষ্ট জোগাড় হয় রাস্তা থেকে।

আবার এ ব্যবসার সাথে যারা জড়িত দেহব্যবসায়ী আসমা ফেসবুকের মাধ্যমে অভিনব কায়দায় খদ্দের সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে মেয়েরা সুন্দর সুন্দর ছবি ফেসবুকে আপ করে সহজ সরল ছেলেদের সাথে প্রথমে বন্ধুত্ব পরে সেটাকে অল্পদিনেই গভীর প্রেমে পরিনত করে। এ ব্যবসার সাথে জড়িত মেয়েরা অত্যান্ত চালাক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা এতাটাই ভয়ংকর যে, যেকোন সময় যে কোন ঘটনা সাজাতে পারেন শুধু মাত্র অর্থ আদায়ের জন্য।

একবার যদি ভূলেও কেউ তাদের প্রতারনায় পা বাড়ায় তার আর রক্ষা নেই। দেহব্যবসায়ী আসমার ফ্ল্যাটে খদ্দের গেলে অন্যান্য ভাড়াটিয়া কিংবা ভাড়িওয়ালাদের চোখ এড়াতে নিজের আপন আত্মীয় বানিয়ে ফেলে। এক সপ্তাহের মধ্যে যেকোন পুরুষ লোককে তাদের আয়ত্বে আনতে সক্ষম বলে দাবি তাদের। বাসায় গেলে খদ্দেরকে প্রথমে শরবত খাওয়ানোর নাম করে নেশা কিংবা যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়ানো হয়।

তখন স্বাভাবিকভাবেই পুরুষটি তার বাহ্যিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ঠিক তখনটি তার সাথে যৌন মিলন করতে বাধ্য করেন। আবার অনেক খদ্দের স্বেচ্ছায় সেখানে যায় যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য। যৌনকর্মী ও দেহ ব্যবসায়ীরা বেশীরভাগ ক্ষেত্রে তাদের পরিচিত লোকদের মাধ্যমে খদ্দের পেয়ে থাকেন। তবে ভিআইপি এলাকায় যৌন ব্যবসা পরিচালিত হয় বিশেষ গোপনীয় কায়দায়। যৌন ব্যবসার সাথে জড়িত মেয়েরা রাস্তায় পুরুষদের বিভিন্ন কৌশলে পটিয়ে ফেলে।

সিদ্ধিরগঞ্জের বেশিরভাগ এলাকায় একটু সন্ধার পর গেলেই দেখা যায়, সুন্দরী মেয়েরা খদ্দের ধরার জন্য রিক্সা ও সিএনজি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে তাদের এই আনাগোনা। প্রশাসনের চোখ এড়াতে দালালদেরকেই নিজের স্বামী বানিয়ে হাত ধরে ঘুরে বেড়ায়।এসব পেশায় সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে কলেজছাত্রী ও স্বনামধন্য পরিবারের মেয়েরা। আর এদের খদ্দের হচ্ছে চাকুরিজীবী, পেশাজীবী, প্রবাস ফেরত যুবক,ছাত্রসহ সব শ্রেনীর পুরুষ।

দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত বাসা – বাড়ী ও ফ্ল্যাটগুলোতে গেলে দেখা যায় এ যেন এক পতিতাপুরী প্রতারনার শিকার সেন্টু বলেন, আসমার ফ্ল্যাটে এসব অসামাজিক কাজের সাথে জড়িতরা অনেক প্রভাবশালী তারা পুলিশ প্রশাসনকে ভয় করেনা। আমি তাদের থপ্পরে পড়েছিলাম। নিজের মান সম্মান বাঁচাতে একাধিকবার তাদেরকে টাকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্ধারা অভিযোগ করে বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জের অধিকাংশ ফ্ল্যাটবাসার ভাড়াটিয়া ও বাড়ীওয়ালারা প্রবাসে এবং অন্যথ বাড়ি করে থাকেন।

এক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবসায় বিভিন্ন ফ্ল্যাটের অপরিচিত ভাড়াটিয়ারা এই ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে। তারা আরো বলেন, এসব ফ্ল্যাট বাসাগুলোতে কে কার রুমে কখন, কেন যাচ্ছে এর কোন খবর রাখেনা বাড়ীওয়ালারা। অন্যদিকে কাকে বাড়ীভাড়া দিল সেটাও খেয়াল করেনা। ভাড়া পাওয়ার লোভে অনেকটা যাচাই বাছাই ছাড়াই বাড়ীর মালিক ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে থাকেনা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here