প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ শহর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন সৈয়দপুর কড়ইতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে
আলোচনায় রয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি খোদেজা মেম্বার। গোপন সূত্রে জানা যায়, তার ছেলে রুবেল, জুয়েল ও বিচ্ছুবাহিনীর মাধ্যমে তিনি এলাকায় ভয়ঙ্কর প্রভাব বিস্তার করছেন। খোদেজা মেম্বারের আশ্রয়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন দিদারছে। খোদেজা মেম্বার গোগনগর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয় পার্টির হয়ে ইউপি মেম্বার নির্বাচিত হন।
তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন এবং ওসমান পরিবারের হয়ে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। রাজনৈতিক মহলে বলা হয়, তিনি ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বজায় রেখেছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ পতনের পরও খোদেজা মেম্বার অধরা রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে। অভিযোগ রয়েছে, তার বাড়ি এখনো আওয়ামী লীগের কর্মীদের আড্ডাখানা হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই সেখানে নেতাকর্মীদের আসা-যাওয়া চলছে।
এমনকি নির্বাচনী প্রক্রিয়া বানচাল করার পরিকল্পনাও তার বাড়ি থেকে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, খোদেজা মেম্বারের ছত্রছায়ায় তার ছেলে রুবেল, জুয়েল ও বিচ্ছুবাহিনী এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছে। তারা সাধারণ মানুষের হয়রানি করছে, ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। অনেকেই দাবি করেছেন, খোদেজা মেম্বারের প্রভাবের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না। এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
কেউ কেউ মনে করেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে খোদেজা মেম্বার এখনও সক্রিয় রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আবার অনেকে দাবি করেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য তার পরিকল্পনা করছে। এই পরিস্থিতি নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে বিভিন্ন রাজনীতিবীদরা জানিয়েছেন।
খোদেজা মেম্বারের কার্যক্রম ও তার পরিবারের প্রভাব নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। স্থানীয়রাপ্রশ্ন তুলেছেন, আওয়ামী লীগ পতনের পরও কেন তিনি অধরা থেকে গেলেন এবং কেন তার বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।





