প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কুড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য চলছে প্রকাশ্যে ও ধারাবাহিকভাবে। অভিযোগ উঠেছে, তহশিলদার মফিজুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে দুর্নীতির এক রাজত্ব। তহশিলদার মফিজুল ইসলামের পাশাপাশি, অফিসের প্রধান সহকারী সেলিম,সৈকত, মহিউদ্দিন, শিল্পী রানী, এবং ঘনিষ্ঠজন পিন্টু (ভাতিজা) মিলে নিয়মিতভাবে নাগরিক সেবা দিতে ঘুষ গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘুষ ছাড়া হয় না কাজ:ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো সাধারণ সেবার জন্য আট থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করা হচ্ছে। জমিতে কোন ত্রুটি থাকলে সেটি ৫ লাখ টাকায় ও গিয়ে দাঁড়ায় বলে জানান স্থানীয়রা। নামজারি, খতিয়ান সংশোধন, ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়ার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। তহশিলদারের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন: তহশিলদার মফিজ উদ্দিন, পিতা মৃত মিছির আলি ও মাতা মৃত আল বাহার–এর সন্তান।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি চাকরিতে থেকে জালকুড়ি এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, আলিশান ভবন ও নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। যা তার আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মঙ্গলবার ১৩ই জানুয়ারি আনুমানিক বেলা ১১ টার সময় গিয়ে দেখা যায় অফিস সহকারী শিল্পী রানি প্রকাশ্য এক সেবা গ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করছেন।
এ বিষয়ে তরফিলদার মফিজ উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এক সাংবাদিক শিল্পী নারীর কাছে টাকা চাইলে শিল্পী টাকা দিতে রাজি হননি তাই উনি ভিডিও করেছেন। শিল্পী ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেছেন। আপনি কিছু জানতে চাইলে এ্সিল্যান্ড এর কাছে গিয়ে কথা বলেন। তিনি ডাক্তারের কাছে যাবে বলে অফিস ত্যাগ করেন। এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার ভূমি বন্দরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
তদন্তের দাবি স্থানীয়দের, ভূমি অফিসে দুর্নীতির বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে দুর্নীতিবাজদের সম্পদের হিসাবও খতিয়ে দেখতে আহ্বান জানিয়েছেন তারা।





