সোনারগাঁয়ে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

0
সোনারগাঁয়ে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ বিশেষ প্রতিনধি: মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সালাম বরকত এর রক্ত বৃথা যেতে দিবনা, বায়ান্নের ভাষা সৈনিকদের আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম। সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করো চালু করো। উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো বঙ্গবন্ধু লাইব্রেরী সোনারগাঁ নারায়ণগঞ্জ।

রবিবার একুশে ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত হলো ভাষাসৈনিক সংবর্ধনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব লিয়াকত হোসেন খোকা মাননীয় সংসদ সদস্য, (নারায়ণগঞ্জ – ৩) সোনারগাঁ। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাষাসৈনিক রেজাউল করিম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুরুল হক সিকদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আতিকুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহি অফিসার, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ। জনাব গোলাম মুস্তফা মুন্না, সহকারী কমিশনার ভূমি সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব জাহিদ হাসান জিন্নাহ চেয়ারম্যান,সনমান্দী, ইউনিয়ন পরিষদ, সোনারগাঁ নারায়ণগঞ্জ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সনমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের ০৯ টি ওয়ার্ডের সকল ওয়ার্ড মেম্বার ও সনমান্দী ইউনিয়ন এর সকল আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী ও এলাকার সকল সাধারণ জনগণ।

উক্ত অনুষ্ঠানে সনমান্দী ইউনিয়ন পরিষদের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা জানিয়ে সভাপতির বক্তব্যে জনাব জাহিদ হাসান জিন্নাহ্ প্রথমে একুশে ফেব্রুয়ারির সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা সকলে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ও সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা সকল মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা যদি বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন করে যে অবদান রেখেছেন তার জন্য আমরা অনেক কৃতজ্ঞ থাকবো।

আজ আপনাদের বদৌলতে আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে পরিচয় পেয়েছি, তাই এই ঋন কখনো শোধ হবার নয়। বীর শহীদদের আত্মত্যাগের কারণেই আমরা আমাদের মাতৃভাষাকে কাছে পেয়েছি, যা কখনও ভুলার নয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে ভাষা সৈনিক রেজাউল করিম বলেন আমরা বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে পেয়েছি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অনেক ভালো লাগলো যে চেয়ারম্যান সাহেবের মাধ্যমে আজ সেই পুরোনো স্মৃতি গুলো আপনাদের কাছে বললাম এতে আমার অনেক ভালো লাগলো।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল হক শিকদার বলেন আজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে অনেক আনন্দিত হলাম আজকে একটা কথা বলবো যে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। এই জন্য আমাদের এই সুন্দর মাতৃভাষার জন্য যে সকল বন্ধু শহীদ হয়েছেন আমি ভুলিনি ভুলবনা কোনদিন।

আজ তোমরা বেচে থাকলে দেখতে পারতে যে আমাদের দেশের মানুষ তাদের কাছে আমরা কতটা ভালোবাসা পাই। তাই তোমাদের ভুলিনি ভুলবনা কোনদিন। উক্ত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করতে চেয়ারম্যান জনাব জাহিদ হাসান জিন্নাহ্ কান্না জড়িত কন্ঠে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।জয় হোক বাংলার মানুষের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here