প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে হালিমা খাতুন (২৫) নামে এক মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়ে এখন নিশান ইমতিয়াজ নামে পরিচিত হয়েছে। উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখন পুরো উপজেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হালিমা খাতুন নাম পরিবর্তন করে এখন নাম রাখা হয়েছে নিশান ইমতিয়াজ। নিশান ইমতিয়াজ উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চর সলিমাবাদ গ্রামের আব্দুস সামাদ দর্জির মেয়ে বলে জানা গেছে।
এলাকাজুড়ে উৎসুক জনতা মেয়ে থেকে ছেলে হওয়া নিশান ইমতিয়াজকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। পরিবার ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, হালিমা খাতুন খুব মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। সে সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি পাশ করেন এবং একই বছরে বিবাহ হয়। ছোট বেলা থেকে হালিমার চলাফেরা ছিল মেয়ে ছেলে মানুষের মতো। এদিকে ধীরে ধীরে তার শরীরে নারীর গঠন ও কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হতে থাকে। একপর্যায় এরিই মধ্যে মেয়ে থেকে ছেলে রূপে রূপান্তর হয় হালিমা খাতুন ।
বিষয়টি পরিবারের লোকদের বললে তারা প্রথমে বিষয়টি মজা ভেবে উড়িয়ে দেয়। এরপর আস্তে আস্তে ছেলে রূপে রূপান্তরিত হয়। পরিবারের লোকজন যাচাই-বাছাই করে দেখতে পান হালিমা খাতুন সত্যিই মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে গেছে। পরে তার নাম রাখা হয় হালিমা খাতুন থেকে নিশান ইমতিয়াজ। এ বিষয়ে তার পরিবার বলেন, শরীরের বিভিন্ন অংশের পরিবর্তন শুরু হতে থাকে।
এই বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের ডাক্তারে সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছে অতিরিক্ত পুরুষের হরমোন শরীরে থাকার কারণে হঠাৎ এমন পরিবর্তন হয়েছে। গঠন পরিবর্তনের ফলে এখন শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ। পুরুষ হওয়াতে নিশান ইমতিয়াজের কোনো সমস্যা হয় নাই। এ বিষয়ে হালিমার বাবা বলেন আমার মেয়ে দীর্ঘ বারো বছর সংসার করে আসছে বর্তমানে আমার মেয়ের ঘরে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছেতেই সব হয়েছে এতে কারো কোনো হাত নেই। এছাড়াও এফিডেভিট মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নাম পরিবর্তনের বিষয় নিশ্চিত করেন স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিক্যাল অফিসার ডা: মোহাম্মদ আসিফ আহমেদ বলেন, লিঙ্গ নির্ধারক বিষয়ে ছেলে না মেয়ে এটা পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমেই জানা যায়।
মেডিকেল সাইন্সে এমনটা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। হরমোনজনিত কোনো কারণ থাকলেও সেটা পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যেতে পারে। তবে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এমনটা হতে পারে।





