গৌরীপুরে ঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘লন্ডভন্ড’  শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সংশয়

0
গৌরীপুরে ঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘লন্ডভন্ড’  শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সংশয়

প্রেসনিউজ২৪ডটকমঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের শিবপুর এলাকায় অবস্থিত শিবপুর লিয়াকত উলূম আলীম মাদ্রাসা ভয়াবহ ঝড়ের কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) রাতে হঠাৎ করে বয়ে যাওয়া ঝড়ো হাওয়ায় মাদ্রাসাটির হাফ-বিল্ডিং ভবনের তিনটি শ্রেণিকক্ষের টিনের ছাউনি ও ছাদ উড়ে যায়।

এতে করে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম জানান, ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে মাদ্রাসা ভবনের উপরের অংশের টিন ও ছাউনি ছিটকে পড়ে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তিনটি শ্রেণিকক্ষ সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সৌভাগ্যবশত ঘটনাটি রাতে ঘটায় কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

তবে ভবনের ক্ষতির কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করা হলে শতাধিক শিক্ষার্থীর নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হবে। তাই প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মঞ্জুরুল হক মঞ্জু বলেন, এই মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি। আগে থেকেই পর্যাপ্ত ভবনের সংকট ছিল।

এখন ঝড়ে তিনটি ক্লাসরুমের ছাদ উড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমরা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেন ঈদের আগেই জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সংস্কার করা হয় এবং ভবিষ্যতে নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়।

এ বিষয়ে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মাওলানা মফিজ উদ্দিন জানান, আমাদের মাদ্রাসার নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। হঠাৎ এই দুর্যোগে ভবনের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।  তিনি এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন বরাবর আবেদন জানিয়েছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। ক্ষয়ক্ষতির ছবি ও লিখিত আবেদন দিতে বলা হয়েছে। আবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here